নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ সোসাইটির ২৫ অক্টোবর নির্ধারিত নির্বাচনের কার্যক্রমের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন নিউইয়র্ক কুইন্স কাউন্টি সুপ্রিম কোর্ট। ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে নথিভুক্ত আদালতের আদেশ অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্বাচন পরিচালনা, ভোটগ্রহণ, ব্যালট গণনা এবং নির্বাচনের ফলাফল অনুমোদন বা ঘোষণা করা যাবে না। ওসমান এ. চৌধুরীর দায়ের করা মামলায় জারি করা এই আদেশে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকরপোরেশন এবং এর কয়েকজন কর্মকর্তাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। মামলার নম্বর ৭৩২১৭৪/২০২৬।
আদালতের নথিতে বিচারক হিসেবে বিচারপতি চেরি এ. বাগস (Hon. Chereé A. Buggs, JSC)-এর নাম রয়েছে। নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, শুনানির সময় বিচারপতি কারিনা ই. আলোমার (Hon. Karina E. Alomar, JSC) উপস্থিত ছিলেন।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, আবেদনকারী ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাহী কমিটির ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে না। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা, সদস্যপদের আবেদনপত্র, চাঁদা প্রদানের রেকর্ড, মূল ভোটার রেজিস্ট্রি এবং নির্বাচনী ব্যালটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলায় বিবাদী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট এস এম এ রহমান, যিনি ‘সালিম’ নামেও পরিচিত, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাশের।
মামলার নথি অনুযায়ী, ওসমান চৌধুরী তাঁর সাধারণ সদস্যপদের আবেদন প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত বাতিল চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি ২৮ আগস্টের সিদ্ধান্ত বাতিলের পাশাপাশি বাংলাদেশ সোসাইটির গঠনতন্ত্রের আর্টিকেল ৯, সেকশন ৬-কে নিউইয়র্কের আইন ও জননীতির পরিপন্থী এবং অকার্যকর ঘোষণার আবেদন করেছেন।
আবেদনকারী আদালতের কাছে তাঁকে সোসাইটির সদস্য হিসেবে ভর্তি বা পুনর্বহাল করা এবং সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্যতা নিশ্চিত করারও আবেদন জানিয়েছেন। এ ছাড়া মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখা এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশ চেয়েছেন। আদালতের নথিতে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ ধার্য করা হয়েছে।