জাতিসংঘের চলতি সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে ‘ফরেন প্রেস সেন্টার’-এ ২৪ সেপ্টেম্বর অপরাহ্নে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘দক্ষিণ এবং সেন্ট্রাল এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা এগিয়ে নেয়া’ (Advancing U.S. Engagement in South and Central Asia) শীর্ষক এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ সংবাদদাতার প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তর্বর্তী সরকারের আন্তরিক উদ্যোগকেও স্বাগত জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার কর্তৃক চীনের সাথে সম্পর্ক তৈরী এবং চীন থেকে যুদ্ধ-সরঞ্জাম ক্রয়ের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বহুবছরের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ইস্যুকে বিপজ্জনক অবস্থায় নিপতিত করা হচ্ছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে স্টেট ডিপার্টমেন্টে দক্ষিণ ও সেন্ট্রাল এশিয়া নিয়ে কর্মরত একজন সিনিয়র ক’টনীতিক আরো বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন সকলের সাথে সম্পর্ক অটুট রেখে দ্বি-পাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক স্বার্থকে এগিয়ে নিতে চায়।
এ ব্রিফিংয়ে ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে কিনা জানতে চাইলে ঐ জ্যেষ্ঠ ক’টনীতিক জানান যে, যখোনই কোন দেশের আচরণে প্রেসিডেন্ট ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন তখোনই তিনি তার প্রকাশ ঘটাতে দ্বিধা করেন না। কারণ তিনি জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছ্বতায় বিশ্বাসী। একইভাবে ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রেখেই দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লীর আন্তরিকতায় কমতি নেই। এ সময় পাকিস্তান, আফগানিস্তান, কাজাকিস্তানের সাথে পরিস্থিতির ওপরও স্টেট ডিপার্টমেন্টের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা কথা বলেছেন।